Friday, April 4সময়ের নির্ভীক কন্ঠ
Shadow

মতামত

নারীর অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন ও সম্ভাবনা

নারীর অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন ও সম্ভাবনা

মতামত
ডাঃ রুবাইয়াৎ ফেরদৌস: বেগম রোকেয়া বলেছেন- “যে জাতি নারীকে অবজ্ঞা করে সে জাতি কখনো উন্নতি করতে পারে না।” বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাই বলেছেন “আমরা সবাই সফল হতে পারবো না, যদি আমাদের অর্ধেককে পিছিয়ে রাখা হয়।” এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো - ‘অধিকার, সমতা ও ক্ষমতায়ন -  নারী ও কন্যার উন্নয়ন।’ এ দিনটি শুধু উদযাপনের জন্য নয়, বরং নারীদের জীবনমান উন্নত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও সময়। নারী দিবসের ইতিহাস ও প্রেক্ষাপটঃ-আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূচনা ১৯০৮ সালে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পনের হাজার নারী শ্রমিক তাদের কর্মস্থলে ন্যায্য মজুরি, কর্মঘন্টা কমানো এবং ভোটাধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এরপর ১৯০৯ সালে আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টি ২৮ ফেব্রুয়ারি "জাতীয় নারী দিবস" পালন করে। তবে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আসে ১৯১০ সালে ডেন...
সেলিমউল্লাহ ছিলেন সমাজ বিনির্মাণে একজন আলোকবর্তিকা

সেলিমউল্লাহ ছিলেন সমাজ বিনির্মাণে একজন আলোকবর্তিকা

মতামত, সাহিত্য
আমীর-ফকির, ধনী-গরীব, রাজা-প্রজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নিয়েই আমাদের সমাজ। এর মধ্যে কেউ শাসক কেউ শোষক। কেউ ভোগ করছে কেউ ত্যাগ করছে। কেউ নিরবে নি:ভৃতে সমাজটাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় রত, কেউবা আবার চন্দ্র গ্রহনের মত দেশটাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টায় রত। তবে যেকোন পেশায় থেকে সেই ব্যক্তিই পারেন এ সমাজকে এগিয়ে নিতে, যার মধ্যে আছে প্রকৃত দেশপ্রেম, মানবকল্যাণ প্রেম। আর এমনই একজন ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মু: সেলিমউল্লাহ যিনি হযরত খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ (র.) এঁর আদর্শে সমাজ বিনির্মাণে আলোকবর্তিকার মত কাজ করে যাচ্ছেন নিরবে-নিভৃতে। মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ ১৯৩৭ সালের ৭ এপ্রিল বর্তমান ভারতের কলকাতায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতামহ তিন পুরুষ পর্যন্ত ছিলেন সেসময়ের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। কলকাতায় লেখাপড়া শেষে লন্ডন ও আমেরিকায় যান উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে। এরপর পিতার ব্যবসার স...
আপন আলোয় উদ্ভাসিত আলহাজ্জ্ব আব্দুল মজিদ

আপন আলোয় উদ্ভাসিত আলহাজ্জ্ব আব্দুল মজিদ

মতামত
-শিক্ষক মোঃ আবু তালেব: মানুষ বাঁচে কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়। কর্মই মানুষকে যুগযুগান্তর বাঁচিয়ে রাখে। মানুষের জন্য, জাতির জন্য যিনি অকাতরে জীবনকে বিলিয়ে গেছেন সেইই প্রকৃত মানুষ। তেমনি একজন মহৎ প্রাণ আলহাজ্জু মোঃ আব্দুল মজিদ, যিনি শুধু একটি নামে নয়, একটি প্রতিষ্ঠানও। সারাটি জীবন যিনি ছিলেন মানবসেবক, মৃত্যুর কয়েক মিনিট আগ পর্যন্ত যিনি নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনে দুঃস্থ্য রোগীদের সেবার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ঔষধ দান করার জন্য। আত্মমানবতার সেবায় নিয়োজিত আলহাজ্জ মোঃ আব্দুল মজিদ সাহেব ১৯৩৪ সালের ৬ জানুয়ারি তৎকালিন খুলনা জেলার সাতক্ষীরা মহাকুমার অন্তর্গত দেবহাটা থানার সখিপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত, ধর্ণাঢ্য মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল মেনহাজ উদ্দিন এবং মাতার নাম রওশন আরা বেগম। ছাত্র জীবনে তিনি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তিনি...