Sunday, July 14সময়ের নির্ভীক কন্ঠ
Shadow

সাহিত্য

মানবতার মুর্ত প্রতীক “আব্দুল মোতালেব” এঁর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মানবতার মুর্ত প্রতীক “আব্দুল মোতালেব” এঁর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাতক্ষীরা, সাহিত্য
অসাধারণ কর্মবীর, শিক্ষা বিস্তারে অভূতপূর্ব অবদান, বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, ক্রীড়া-সংস্কৃতি-সামাজিকতা পৃষ্ঠপোষক, স্কাউটিং-রেডক্রিসেন্ট আন্দোলনের অগ্রসৈনিক, বেকার-অবহেলিত-নির্যাতিত মানুষের ঠিকানা, মানবতার মুর্ত প্রতীক ছিলেন তিনি। আব্দুল মোতালেব আজ বেঁচে নেই, বেঁচে আছে তাঁর সুকর্ম, কর্মযজ্ঞ। তাঁর অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহ পাক তাঁকে জান্নাত নসিব করুন। সমাজ, সরকার, রাষ্ট্রেরও তো দায়বদ্ধতা আছে। এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণীয় রাখতে "স্বাধীনতা বা একুশে পদকে" ভূষিত করা সময়ের দাবী। কলমে: তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামান, ফিফা রেফারি ...
পারিবারিক শিক্ষা মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন

পারিবারিক শিক্ষা মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন

সাহিত্য
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি পারিবারিক শিক্ষার প্রতিও সচেতনতা প্রয়োজন।মানুষের জীবনের প্রথম পাঠশালা পরিবার। শিশু যখন নিজ থেকেই হাত-পা নাড়তে শেখে, তখন থেকেই মূলত সে পরিবারের বড়দের কাছ থেকে শিখতে শুরু করে। আর তখন থেকেই তার সামনে বাবা-মা তথা বড়দের কথাবার্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। বাড়ন্ত শিশুকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ভালো-মন্দ বিষয়ে অবহিত করতে হয়। তার সঙ্গে নরম সুরে, মার্জিত আচরণে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করতে হয়। কোনো অবস্থায়ই শিশুকে গালমন্দ করা যাবে না। কারণ শিশুর মনমানসিকতা থাকে খুবই কোমল, তাই সহজেই যেকোনো বিষয়ে তারা শিখে নিতে পারে। আমি কবির নেওয়াজ রাজ মনে করি,বড়দের কর্তব্য হলো আদর-স্নেহের মাধ্যমে বুঝিয়ে তাদের যেকোনো বদ অভ্যাস থেকে বিরত রাখা।আমরা মানুষের জন্য তেমন কিছুই করতে পারি না, সম্মান দেয়া ছাড়া। সব মানুষকে সম্মান দেয়া উচিত। এটাই তো আমাদের কাজ হবে। সম্মান না দিয়...
ঐক্যবদ্ধতাই পারে মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার বাধাহীন পথচলা

ঐক্যবদ্ধতাই পারে মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার বাধাহীন পথচলা

সাহিত্য
একজন সাংবাদিকের কাজ সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা।সাংবাদিকতা পেশার মূল লক্ষ্য হলো- মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা।সাধারণ মানুষের কথা বলা। মানুষের সমস্যা, সমাজের নানা অসঙ্গতি অনিয়ম অবিচার তুলে ধরা। রাজধানী ঢাকার মতো মফস্বলেও এ পেশায় আত্মনিয়োগ করে সাংবাদিকরা জনসেবা ও সমাজকল্যাণ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিছু পাওয়ার জন্য নয়, নিতান্ত ভালোবাসা ও জনসেবার মহৎ উদ্দেশ্য থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এ পেশায় আসেন একজন প্রকৃত সাংবাদিক। একজন ভালো সাংবাদিককে যেমন সাহসী হতে হয়- তেমনি সত্যনিষ্ঠ ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন এবং ন্যায়ের প্রশ্নে অবিচল থাকতে হয়। ঝুঁকি থাকলেও অনেকেই ভালোবাসার কারণে এ পেশাকে বেছে নেন এবং আজীবন সাংবাদিকতায় স্বতশ্চল থাকেন। যারা অকপট সততার সঙ্গে এ পেশায় সক্রিয় থাকেন তাদের এক ধরনের আত্মতৃপ্তি থাকে। ভালো কাজের জন্য আনন্দ থাকে। তাদের কাজ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা।আমি কবির নেওয়াজ রাজ মনে...
একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব

একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব

সাহিত্য
সাংবাদিকের দায়িত্ব হচ্ছে সত্য উদঘাটন ও সত্যের বিকাশ ঘটানো। একজন সাংবাদিককে আত্ম সচেতনতার মাধ্যমে পেশার দায়িত্ব ও নির্দেশনা মেনে চলা আবশ্যক। তবেই দেশ ও দেশের মানুষের সেবা নিশ্চিত হবে।সাংবাদিকতার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত—প্রতিবেদক থেকে সম্পাদক—তাঁদের অবশ্যই কতগুলো মৌলিক দায়িত্ব আছে, যেগুলো এড়িয়ে গিয়ে সাংবাদিকতা করা সম্ভব নয়; অন্যার্থে সাংবাদিকতার নীতিমালার ভিত্তিগত কিছু বিষয় আছে, যা সর্বজনীন এবং দায়িত্বনির্বিশেষে সবার জন্য প্রযোজ্য। সাংবাদিকতার প্রথম বাধ্যবাধকতা বা দায়িত্ব হচ্ছে সত্যের প্রতি। সাংবাদিকতার এই সত্য দর্শনশাস্ত্রের সত্য নয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারের চূড়ান্ত সত্য নয়। বিল কোভাচ ও টম রোসেন্টিয়েল দ্য এলিমেন্টস অব জার্নালিজম গ্রন্থে একে বলেছেন ‘আ প্র্যাকটিক্যাল অ্যান্ড ফাংশনাল ফর্ম অব ট্রুথ’—বাস্তব এবং কার্যকর সত্য। এ সত্যের ভিত্তি হচ্ছে পেশাদারিভাবে তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ এবং তা যাচা...
একটুখানি সুখের পরশ পেতে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উৎসব পালন

একটুখানি সুখের পরশ পেতে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উৎসব পালন

সাহিত্য
গ্রামের মানুষের আবেগ অনুভূতি উৎসব-পার্বণের মধ্যে অনেকটাই প্রতিফলিত হয় একটুখানি সুখের পরশ পেতে,তাই গ্রামের বাড়িতে ঈদ উৎসব পালন করা হয়। প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ।সবুজ-শ্যামল-শস্যময় আমাদেরই এই দেশ। তবে এই বিশেষণ আমরা নাগরিক জীবন থেকে পাইনি। গ্রামের প্রকৃতি লালিত পরিবেশই আমাদের এই চিত্র প্রদান করেছে।আমি কবির নেওয়াজ রাজ মনে করি, বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা আমের বাম্পার ফলনের কারণে ও চিংড়ি চাষের কারনে এবং গ্রামীণ বৈশিষ্ট্য নিয়েই বিশ্বের বুকে দাঁড়িয়েছে।বাংলাদেশে প্রায় ৬৮ হাজার গ্রাম রয়েছে এদেশের অভ্যন্তরে। প্রতিটি গ্রামের রয়েছে আলাদা বা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং সেখানকার মানুষের প্রকৃতিও আলাদা। গ্রামের প্রকৃতি ও সেখানকার মানুষ— এই দুই মিলেই গ্রামীণ জীবন রচিত হয়েছে। এ জীবন কখনাে সহজ আবার কখনাে জটিল হয়ে দেখা দিয়েছে আমাদের সামনে। স্থান পেয়েছে সেখানে সুখ- দুঃখ- অনুভূতির নানা গল্প। বাংলাদেশ...
মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ: একজন নির্মোহ ও নিবেদিত মানুষের প্রয়াণ

মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ: একজন নির্মোহ ও নিবেদিত মানুষের প্রয়াণ

সাহিত্য
বেশভূষায় একজন কেতাদুরস্ত মানুষ। ভাবগাম্ভীর্যে আকর্ষণীয় ও প্রখর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। কিন্তু আচরণে সদাশয়- হতদরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে নাম নিবেদিতপ্রাণ, নৈবেদ্যজীবন। আলহাজ্জ মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ একজন কর্মবীর, একজন নক্ষত্র-মানুষ! সাতক্ষীরার মানুষ নন, অথচ সাতক্ষীরাবাসীর কাছে তিনি সর্বজনবিদিত, আহ্ছানিয়া মিশন পরিবারে তিনি সর্বজনশ্রদ্ধেয় এবং জেসন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ পরিবারে তিনি স্বশ্রদ্ধায় উচ্চারিত নাম। এই আলোকিত মানুষটি গতরাতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।▪️মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহর জন্ম ১৯৩৭ সালের ৭ এপ্রিল কলকাতা মহানগরীতে। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান তিনি। কলকাতায় লেখাপড়া শেষে বিলেতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে ফার্মাসীতে স্নাতক ও স্নাতোকোত্তর পাশ করে একই বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন আমেরি...
সেলিমউল্লাহ ছিলেন সমাজ বিনির্মাণে একজন আলোকবর্তিকা

সেলিমউল্লাহ ছিলেন সমাজ বিনির্মাণে একজন আলোকবর্তিকা

মতামত, সাহিত্য
আমীর-ফকির, ধনী-গরীব, রাজা-প্রজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নিয়েই আমাদের সমাজ। এর মধ্যে কেউ শাসক কেউ শোষক। কেউ ভোগ করছে কেউ ত্যাগ করছে। কেউ নিরবে নি:ভৃতে সমাজটাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় রত, কেউবা আবার চন্দ্র গ্রহনের মত দেশটাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টায় রত। তবে যেকোন পেশায় থেকে সেই ব্যক্তিই পারেন এ সমাজকে এগিয়ে নিতে, যার মধ্যে আছে প্রকৃত দেশপ্রেম, মানবকল্যাণ প্রেম। আর এমনই একজন ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মু: সেলিমউল্লাহ যিনি হযরত খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ (র.) এঁর আদর্শে সমাজ বিনির্মাণে আলোকবর্তিকার মত কাজ করে যাচ্ছেন নিরবে-নিভৃতে। মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ ১৯৩৭ সালের ৭ এপ্রিল বর্তমান ভারতের কলকাতায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতামহ তিন পুরুষ পর্যন্ত ছিলেন সেসময়ের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। কলকাতায় লেখাপড়া শেষে লন্ডন ও আমেরিকায় যান উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে। এরপর পিতার ব্যবসার স...
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ছিলেন মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত

খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ছিলেন মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত

জাতীয়, সাহিত্য
বিশেষ প্রতিবেদক: হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ছিলেন মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় খানবাহাদুর আহ্ছানউ্ল্লা (র.) এঁর অবদান ও সম্পৃক্ততা ছিল অনস্বীকার্য। খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ছিলেন শুদ্ধাচারী মানুষ। বাংলা সাহিত্যে তাঁর যে শতাধিক মূল্যবান গ্রন্থ সেখানে তার শুদ্ধাচারের প্রমাণ পাওয়া যায়। খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর মতে রুচি মার্জিত করাই সাহিত্যের কাজ। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর ১৪৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের আয়োজনে শ্যমলীস্থ স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ঢাকা সভাপতি কাজী রফিকুল আলম, সহ-সভাপতি প্রফেসর কাজী শরিফুল আলম, ...
স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম আর খানের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম আর খানের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অন্যান্য, আর্কাইভ, জাতীয়, সাহিত্য
উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত, সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, সাতক্ষীরা জেলা সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আজীবন প্রধান উপদেষ্টা সাবেক জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম আর খান সাহেবের আজ ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। সাতক্ষীরা জেলা সমিতির পক্ষ থেকে এই মহান ব্যাক্তিত্তের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ১৯৫২ সালে কলিকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন এম আর খান। উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ১৯৫৬ সালে তিনি সস্ত্রীক বিদেশে পাড়ি জমান। বিদেশে পড়াশুনা শেষ করে তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার কেন্ট এবং এডিনবার্গ গ্রুপ হাসপাতালে যথাক্রমে সহকারী রেজিস্টার ও রেজিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। ১৯৬৩ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসোসিয়েট প্রফেসর অব মেডিসিন পদে যোগ দেন। ১৯৬৪ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে মেডিসি...
ইকবাল মাসুদের ‘তামাক ছাড়ুন, সুস্থ থাকুন’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন

ইকবাল মাসুদের ‘তামাক ছাড়ুন, সুস্থ থাকুন’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন

জাতীয়, সাহিত্য
তরিকুল ইসলাম, ঢাকা: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের লেখা ‘তামাক ছাড়ুন, সুস্থ থাকুন’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। গ্রন্থেটির মোড়ক উম্মোচন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) কাজী জেবুন্নেছা বেগম, যুগ্ম সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিশাখা) নিলুফার নাজনীন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, মাদক দ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. অরুপ রতন চৌধূরী, ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের হেড অব প্রোগ্রামস-বাংলাদেশ মো. শফিকুল ইসলাম, ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ। ‘তাম...