Friday, April 4সময়ের নির্ভীক কন্ঠ
Shadow

কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার অভিযোগ

হাফিজুর রহমান, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) থেকেঃ উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাডমিন্টন খেলা করা সহ সরকারি অর্থায়নের ২৪ জন এলসিএস শ্রমিক দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ তৈরির কাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণের বিরুদ্ধে। সরকারি রাস্তা সংস্কারের কাজ না করিয়ে সরকারি এল সি এস শ্রমিক দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সকাল থেকে বিকাল ৩/৪ টা পর্যন্ত কাজ করানো নিয়ে আলোচনায় টক অবদি কালীগঞ্জে পরিণত হয়েছে মিস্টার পার্সেন্টেজ খ্যাত উপজেলা প্রকৌশলী ,কাম ঠিকাদার ফয়সাল বারী পূর্ণ। কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারদের নিকট থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজে অংশীদার থেকে কাজ বাগিয়ে নিয়ে রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করলেও দেখার কেউ নাই। কালিগঞ্জ উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সামনে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ থাকলেও সেখানে তার বনিবনা না হওয়ায় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের অফিসের সামনে এলসিএস শ্রমিক দিয়ে আলাদাভাবে ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ তৈরির কাজকরে চলেছে । এছাড়াও প্রতিদিন উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে রাতে খেলা চালিয়ে গেলেও উপজেলা প্রশাসনের নজরে না আশা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সচেতন মহল। মঙ্গলবার বেলা ১১ টার সময় উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসের সামনে ফুটবল মাঠের পাশে দেখা যায় শ্রমিক সর্দার নাসিরের নেতৃত্বে ২৪ জন নারী শ্রমিক মাটি দিয়ে ব্যাডমিন্টন মাঠের ভরাটের কাজ চলছে। এ বিষয়ে শারীরিক সর্দার নাসিরের নিকট জানতে চাইলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট কথা বলার নাম করে কেটে পড়ে। তবে এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণর মোবাইলে ঘটনা জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে অফিসে এসে কথা বলতে বলে তড়িঘড়ি করে ফোন কেটে দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের একেবারে নাকের ডগায় এমন অবৈধ কাজ চলা সম্পর্কে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডলের ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করলে তিনি ব্যস্ত দেখিয়ে কেটে দেওয়ায় বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। একজন সিনিয়র সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হয়ে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার এর দায়িত্ব পালনে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে পূর্ণ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার হলে মাটিতে পা থাকবেনা বলে সুধী মহলের ধারণা।

শেয়ার বাটন